advocacy21 May 2026• ঢাকা
ভয়াবহ ও নৃশংস শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও দোষীদের দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি
রাজধানীর মিরপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির এক নিষ্পাপ অবুঝ শিশু, আমাদের কলিজার টুকরো রামিসাকে ধর্ষণের পর যেভাবে নির্মমভাবে গলা কেটে ও মস্তক বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়েছে—তাতে পুরো দেশের বিবেক আজ স্তব্ধ, ক্ষুব্ধ এবং লজ্জিত।
একবিংশ শতাব্দীতে এসেও আমাদের দেশের শিশুদের জন্য কেন এই নরককুণ্ড তৈরি হচ্ছে? কেন একের পর এক পৈশাচিক লালসার শিকার হয়ে ঝরে যাচ্ছে নিষ্পাপ প্রাণ? এই ধরনের পৈশাচিক বর্বরতা আইয়ামে জাহেলিয়াতকেও হার মানায়।
আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতার কারণে এই ধরণের নরপশুরা পার পেয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে। আমরা "আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন"-এর পক্ষ থেকে স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই—রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে কোনো ধরণের কালক্ষেপণ বা ছলচাতুরি এই দেশের সাধারণ জনগণ মেনে নেবে না।
আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন-এর পক্ষ থেকে আমাদের সুনির্দিষ্ট দাবি:
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন: শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এনে আগামী ৭ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।
সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) নিশ্চিতকরণ: মূল হোতা এবং তার সহযোগীদের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি তথা ফাঁসি দ্রুত কার্যকর করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে, যেন ভবিষ্যতে আর কোনো অপরাধী এমন জঘন্য কাজ করার সাহস না পায়।
আইন সংশোধন: নারীর নিরাপত্তা ও শিশুদের সুরক্ষায় ধর্ষণের সর্বনিম্ন শাস্তি "ফাঁসি" ঘোষণা করে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে।
রামিসার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন এই লড়াইয়ে রামিসার পরিবারের পাশে আইনী ও নৈতিক সমর্থন নিয়ে শেষ পর্যন্ত থাকবে। আমরা দেশের সর্বস্তরের মানুষকে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার এবং রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানানোর উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
যদি রাষ্ট্র আজ আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা দিতে না পারে, তবে এই উন্নয়নের কোনো মূল্য নেই। আমরা রামিসার জন্য পূর্ণাঙ্গ ও দ্রুত বিচার চাই!


